বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই, ২০১৭

ব্রেক আপ হলে কে বেশি কষ্ট পায়


প্রিয় ঋতু,

বহুদিন পর হোয়াটসঅ্যাপে তোমাকে লিখতে বসলাম। এর আগে ফেসবুক, ভাইবার, ইমো—প্রতিটা অ্যাপে তোমাকে মেসেজ পাঠানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু সবখানেই তুমি আমাকে ব্লক করে রেখেছ। একমাত্র হোয়াটসঅ্যাপেই তুমি আমাকে ব্লক করোনি, হয়তো মনের ভুলে। তবে তোমার এই ভুল আমার জীবনে ফুল হয়ে এসেছে। এই ভুলের সুযোগ নিয়ে আজ আমি তোমার সব ভুল ভেঙে দেব। আজ আমি লিখব, মন খুলে লিখব।

তোমার সঙ্গে ব্রেকআপের দিনটার কথা আজও আমার চোখে ভাসে। সেদিন তুমি আমার জন্য নিজের হাতে গরম গরম চটপটি বানিয়ে এনেছিলে। আর সেই চটপটি আমি নিজের হাতে চেটেপুটে খেয়েছিলাম। খাওয়া শেষ হতে না-হতেই আকাশে গুড়গুড় মেঘের শব্দ শোনা গেল।

আমি তাড়াহুড়ো করে বললাম, ‘অ্যাই, তাড়াতাড়ি চলো, বাসায় যাই। খুব মেঘ করেছে, বাদল কখন যাবে টুটি। এখন রওনা না দিলে ভিজে হব রুটি।’

‘আরে! খটখটা রোদের মধ্যে মেঘের ডাক শুনতে পেলে কোথায়?’ তুমি অপার বিস্ময়ে জানতে চাইলে।

আমি উত্তরে কিছু বলতে যাব তখনই আবার মেঘের গুড়গুড় আওয়াজ শুনতে পেলাম। সঙ্গে সঙ্গে মেরুদণ্ড বেয়ে ভয়ের শীতল স্রোত নেমে গেল। আমি স্পষ্ট বুঝতে পারলাম, ডাকটা আকাশ থেকে নয়, আমার পেটের ভেতর থেকে আসছে। ঠিক সেই মূহূর্তে তোমাকে কিছু না বলেই আমি ত্বরিতগতিতে বাসার দিকে রওনা দিলাম। আমার পেটের ভেতর তখন সাক্ষাৎ কবি নজরুল ভর করেছেন। ‘আমি সেই দিন হব শান্ত’—এই কবিতাটা আওড়াতে আওড়াতে কোনোমতে বাসায় এসে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিলাম, একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর। এভাবে সাড়া দিতে দিতে কখন যে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে গেলাম, সেটা আমারও জানা নেই।

তোমার চটপটির ওপর সেদিন আমার খুব অভিমান হয়েছিল। তাই রাগ করে তোমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলাম। খুব কষ্টে কাটছিল দিনগুলো। সেই কষ্টের সময়গুলোতে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল লিজা। লিজা আমাকে খুব ভালোবাসত। বিশ্বাস করো, আমি কিন্তু ওকে একটুও ভালোবাসিনি। আমি শুধু ভালোবেসেছি তোমায়। এখনো তেমনটাই বাসি।

কিন্তু তুমি আমাকে ভুল বুঝলে। তোমার এই ভুল বোঝার পেছনে সবচেয়ে বড় একটি কারণ ছিল, আমি তোমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নিয়েছিলাম। তুমি ভেবেছ, আমি তোমার টাকা নিয়ে ভেগেছি। কিন্তু তুমি এটা ভাবোনি, সামান্য কিছু টাকার জন্য তোমার মতো এত চমৎকার একটা মেয়েকে কেউ হাতছাড়া করবে না। যেমনটা করেনি তোমার হাজ​েবন্ড। আমাদের দূরত্বের সুযোগ নিয়ে সে কিন্তু ঠিকই তোমাকে বিয়ে করে ফেলল। একেবারে খাঁটি ধান্দাবাজ বলতে যা বোঝায় আরকি।

যাহোক, তোমার বিয়ের পর নিজেকে সামলাতে অনেক কষ্ট হয়েছে আমার, তবু সামলে নিয়েছি। এখন আমার চাওয়া একটাই—তোমার সুখ। আমি চাই, তুমি সবাইকে নিয়ে সুখী হও। তোমার মা, বাবা, ভাইয়া, ছোট চাচা…আচ্ছা ভালো কথা, তোমার ছোট চাচা না বিসিবিতে চাকরি করেন? তিনি কি বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ম্যাচের দুটো টিকিট জোগাড় করে দিতে পারবেন? স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখলে তোমাকে হারানোর ব্যথা খানিকটা হলেও কমবে।

ভালো থেকো অনেক। আর টিকিটের ব্যবস্থা হলে একটু জানিয়ো প্লিজ।

তোমার ধান্দাবাজ হাজবেন্ডের জন্য অনেক আদর এবং তোমার জন্য ভালোবাসা।

ইতি

তুহিন



ঋতুর রিপ্লাই

তুই আগে থেকেই ধান্দাবাজ ছিলি এবং এখনো আছিস। আমার এটা বুঝতে একটু দেরি হয়েছে, এই যা। আর শোন, আমার ছোট চাচা বিসিবির চাকরি ছেড়ে এখন র‌্যাবে যোগ দিয়েছেন। তোর কাছে যে টাকা পাই তা সামনের এক মাসের ভেতর শোধ করবি, না হলে ছোট চাচার কাছে তোকে ধরিয়ে দেব। মনে রাখ

এস এ ছাত্রাবাস, টাংগাইল

টাংগাইলের কয়েকটি ছাত্রাবাসের মধ্যে অন্যতম হলো এস এ ছাত্রাবাস। এটি রেজিস্ট্রি পারা, টাংগাইল সদরে, বলতে গেলে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অভস্থিত।এর প্রতিষ্ঠাতা শফিক ভাই। তিনি এটি ছেড়ে দেন ২০১৬ সালের প্রথমদিকে। এরপর দায়িত্ব নেন তিনজন,  যার মধ্যে শিপন মাহমুদ ভাই একজন। তিনিই এখন দেখাশোনা করেন।


মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৬

ব্যর্থ প্রেমিকের মেসেজ ( funny post)


প্রিয় ঋতু,

বহুদিন পর হোয়াটসঅ্যাপে তোমাকে লিখতে বসলাম। এর আগে ফেসবুক, ভাইবার, ইমো—প্রতিটা অ্যাপে তোমাকে মেসেজ পাঠানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু সবখানেই তুমি আমাকে ব্লক করে রেখেছ। একমাত্র হোয়াটসঅ্যাপেই তুমি আমাকে ব্লক করোনি, হয়তো মনের ভুলে। তবে তোমার এই ভুল আমার জীবনে ফুল হয়ে এসেছে। এই ভুলের সুযোগ নিয়ে আজ আমি তোমার সব ভুল ভেঙে দেব। আজ আমি লিখব, মন খুলে লিখব।

তোমার সঙ্গে ব্রেকআপের দিনটার কথা আজও আমার চোখে ভাসে। সেদিন তুমি আমার জন্য নিজের হাতে গরম গরম চটপটি বানিয়ে এনেছিলে। আর সেই চটপটি আমি নিজের হাতে চেটেপুটে খেয়েছিলাম। খাওয়া শেষ হতে না-হতেই আকাশে গুড়গুড় মেঘের শব্দ শোনা গেল।

আমি তাড়াহুড়ো করে বললাম, ‘অ্যাই, তাড়াতাড়ি চলো, বাসায় যাই। খুব মেঘ করেছে, বাদল কখন যাবে টুটি। এখন রওনা না দিলে ভিজে হব রুটি।’

‘আরে! খটখটা রোদের মধ্যে মেঘের ডাক শুনতে পেলে কোথায়?’ তুমি অপার বিস্ময়ে জানতে চাইলে।

আমি উত্তরে কিছু বলতে যাব তখনই আবার মেঘের গুড়গুড় আওয়াজ শুনতে পেলাম। সঙ্গে সঙ্গে মেরুদণ্ড বেয়ে ভয়ের শীতল স্রোত নেমে গেল। আমি স্পষ্ট বুঝতে পারলাম, ডাকটা আকাশ থেকে নয়, আমার পেটের ভেতর থেকে আসছে। ঠিক সেই মূহূর্তে তোমাকে কিছু না বলেই আমি ত্বরিতগতিতে বাসার দিকে রওনা দিলাম। আমার পেটের ভেতর তখন সাক্ষাৎ কবি নজরুল ভর করেছেন। ‘আমি সেই দিন হব শান্ত’—এই কবিতাটা আওড়াতে আওড়াতে কোনোমতে বাসায় এসে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিলাম, একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর। এভাবে সাড়া দিতে দিতে কখন যে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে গেলাম, সেটা আমারও জানা নেই।

তোমার চটপটির ওপর সেদিন আমার খুব অভিমান হয়েছিল। তাই রাগ করে তোমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলাম। খুব কষ্টে কাটছিল দিনগুলো। সেই কষ্টের সময়গুলোতে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল লিজা। লিজা আমাকে খুব ভালোবাসত। বিশ্বাস করো, আমি কিন্তু ওকে একটুও ভালোবাসিনি। আমি শুধু ভালোবেসেছি তোমায়। এখনো তেমনটাই বাসি।

কিন্তু তুমি আমাকে ভুল বুঝলে। তোমার এই ভুল বোঝার পেছনে সবচেয়ে বড় একটি কারণ ছিল, আমি তোমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নিয়েছিলাম। তুমি ভেবেছ, আমি তোমার টাকা নিয়ে ভেগেছি। কিন্তু তুমি এটা ভাবোনি, সামান্য কিছু টাকার জন্য তোমার মতো এত চমৎকার একটা মেয়েকে কেউ হাতছাড়া করবে না। যেমনটা করেনি তোমার হাজ​েবন্ড। আমাদের দূরত্বের সুযোগ নিয়ে সে কিন্তু ঠিকই তোমাকে বিয়ে করে ফেলল। একেবারে খাঁটি ধান্দাবাজ বলতে যা বোঝায় আরকি।

যাহোক, তোমার বিয়ের পর নিজেকে সামলাতে অনেক কষ্ট হয়েছে আমার, তবু সামলে নিয়েছি। এখন আমার চাওয়া একটাই—তোমার সুখ। আমি চাই, তুমি সবাইকে নিয়ে সুখী হও। তোমার মা, বাবা, ভাইয়া, ছোট চাচা…আচ্ছা ভালো কথা, তোমার ছোট চাচা না বিসিবিতে চাকরি করেন? তিনি কি বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ম্যাচের দুটো টিকিট জোগাড় করে দিতে পারবেন? স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখলে তোমাকে হারানোর ব্যথা খানিকটা হলেও কমবে।

ভালো থেকো অনেক। আর টিকিটের ব্যবস্থা হলে একটু জানিয়ো প্লিজ।

তোমার ধান্দাবাজ হাজবেন্ডের জন্য অনেক আদর এবং তোমার জন্য ভালোবাসা।

ইতি

তুহিন



ঋতুর রিপ্লাই

তুই আগে থেকেই ধান্দাবাজ ছিলি এবং এখনো আছিস। আমার এটা বুঝতে একটু দেরি হয়েছে, এই যা। আর শোন, আমার ছোট চাচা বিসিবির চাকরি ছেড়ে এখন র‌্যাবে যোগ দিয়েছেন। তোর কাছে যে টাকা পাই তা সামনের এক মাসের ভেতর শোধ করবি, না হলে ছোট চাচার কাছে তোকে ধরিয়ে দেব। মনে রাখিস, সময় এক মাস মাত্র!


           by.... Md Anik Khandakar

শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৬

অস্ত্র হিসেবে নোট ৭!


রাজপথে বুক ফুলিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় হুট করে কোত্থেকে দুর্বৃত্তের গাড়ি এসে হাজির। পথরোধ করে আপনাকে নাকানিচুবানি খাওয়ার পরিকল্পনা করছে হয়তো। এমন সময় পকেট থেকে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট-৭ স্মার্টফোনটি বের করে ছুড়ে দিলেন সেদিকে। ব্যস, হয়ে গেল! বিস্ফোরণের ধাক্কায় উড়ে গেল দুর্বৃত্তের দল। ঘটনাটা বলা যাক।
বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বেছে নিয়ে খেলার সুযোগ আছে গ্র্যান্ড থেফট অটো (জিটিএ) ৫ গেমে। সেখানে উন্নত সব অস্ত্রও আছে। মজার ঘটনা হচ্ছে, সেই ভয়ংকর অস্ত্রের তালিকায় যোগ হয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট-৭!
হিটম্যান নিকো ছদ্মনামের এক গেমার গেমটিতে কিছুটা পরিবর্তন এনে স্টিকি বোমের আকারে গ্যালাক্সি নোট-৭ যোগ করে দিয়েছেন। ব্যাপারটি শুনতে যতটা হাস্যকর, খেলতেও ঠিক তা-ই। খেলার সময় ভিডিও ধারণ করেছেন সে গেমার। তাতে দেখা যায়, এক খেলোয়াড় আগ্নেয়াস্ত্রের দোকানে ঢুকে নোট-৭ স্মার্টফোন কিনে বের হয়ে আসেন। এরপর শুরু হয় তার ধ্বংসলীলা। গাড়ি হোক বাড়ি হোক, যার তার ওপর নোট-৭ ছুড়ে মারছেন। আর কোথায় যায়! বিস্ফোরণে সব একের পর এক উড়ে যাচ্ছে। আবার মনে করুন, কোথাও নোট-৭ ফেলে এসেছেন। এর ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে গেলে তাতেও বিস্ফোরণ হবে।
এখনো যদি ঘটনাটি ধরতে না পারেন তো বলে রাখি, নোট-৭ স্মার্টফোন বিস্ফোরণে ক্ষয়ক্ষতির বেশ কিছু নজির পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে পাওয়া গেছে। এতে হয়তো স্যামসাংয়ের ব্র্যান্ড নাম কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে নতুন কোনো ফোনে আগুন ধরার চেয়ে তা গেমে হওয়াটাই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে বেশি স্বস্তির। আর গেমটি স্রেফ মজা করার জন্যই বানানো হয়েছে। স্রেফ দুষ্টুমির জন্যই। গেমারও তা স্বীকার করে নিয়েছেন।
             
         মো: অনিক খন্দকার
 , সূত্র: ম্যাশেবল

my first blog

হাই,,,, আশা করি সবাই ভালো আছেন।  প্রথম বারের মতো আজ ব্লগ লেখা শুরু করলাম।  যদিও অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন ব্লগ পড়ার অভ্যাস ছিল কিন্তু সময়ের অভাবে ব্লগিং করতে পারিনি।।।। ভাবতে ভালোই লাগছে আমিও একজন ব্লগার (as new, so excited)

     anyway, সবার সাহায্য কামনা করছি

.
 
সাথে থাকুন anik

ব্রেক আপ হলে কে বেশি কষ্ট পায়

প্রিয় ঋতু, বহুদিন পর হোয়াটসঅ্যাপে তোমাকে লিখতে বসলাম। এর আগে ফেসবুক, ভাইবার, ইমো—প্রতিটা অ্যাপে তোমাকে মেসেজ পাঠানোর চেষ্টা করেছি। কিন...

Popular posts